হোম ভ্রমণ লক্ষ্য যখন ট্রাভেল টুরিজম অ্যান্ড টিকেটিং

লক্ষ্য যখন ট্রাভেল টুরিজম অ্যান্ড টিকেটিং

1
0
SHARE

শিক্ষিত বেকারদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে চাকরি পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা এখন সব শিক্ষার্থীর। পড়ালেখা করতে গিয়ে অজানা এক আশঙ্কা সবার মনে ভর করে—চাকরি পাব তো? সার্টিফিকেট বগলে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হবে না তো? তবে একটু হিসাব-নিকাশ করে লেখাপড়া করলে এ ধরনের প্রশ্নবোধক দুশ্চিন্তা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ জন্য প্রথমেই চাহিদাসম্পন্ন সেক্টরে পেশা গড়তে সময়োপযোগী বিষয় নিয়ে লেখাপড়া করতে হবে। শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বজুড়ে চাহিদা রয়েছে এমন পেশার অন্যতম ট্রাভেল ট্যুরিজম অ্যান্ড টিকেটিং। এসএসসি-এইচএসসির পর এই কোর্স সম্পন্ন করে দ্রুত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শুধু বেকারত্ব দূর করাই নয়, সাথে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা যায়। এটি এভিয়েশন এবং ট্যুরিজম সংশ্লিষ্ট একটি কোর্স।

এটি বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্মের জন্যে পেশার দিক দিয়ে নতুন। এসব পেশায় যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক কম। সব ডিগ্রি কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত না করলেও চাকরি ক্ষেত্রে ট্রাভেল ট্যুরিজম অ্যান্ড টিকেটিংয়ের গুরুত্ব সর্বাধিক। এটি সম্পন্ন করার পর সহজেই কর্মক্ষেত্র তৈরি হয়ে যায়। এসব সম্পন্ন করে সাধারণত ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম, এভিয়েশন সেক্টরে চাকরি হয়ে যায়।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীজুড়ে রয়েছে অসংখ্য ট্যুরিজম কোম্পানি। অন্যদিকে টুরিস্ট গাইড হিসেবে এভিয়েশন কোম্পানি টুরিস্ট গাইড নিয়োগ দিয়ে থাকে। পক্ষান্তরে এ দেশে আছে এমিরেটস্, কাতার এয়ার, গালফ এয়ার, জেট এয়ার, কিংফিসারের মতো প্রায় ৩২টি বিদেশি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে অপারেট করছে এবং এই সকল এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশি অফিসগুলোতে নিয়োগ দিচ্ছে শুধু বাংলাদেশিদেরই। এ ছাড়া বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সগুলোতো রয়েছেই।

বিশ্বজুড়ে ট্রাভেল ট্যুরিজম খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। বিশ্বমানের ট্যুরিজম শিল্পের কাতারে বাংলাদেশও ইতোমধ্যে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এই শিল্পে প্রয়োজন পড়ছে দক্ষ ও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত প্রফেশনালদের। যে কারণে চাকরির বাজারে ট্রাভেল ট্যুরিজম অ্যান্ড টিকেটিং অন্যতম চাহিদার তালিকায় এসেছে।

ট্রাভেল ট্যুরিজম অ্যান্ড টিকেটিং সম্পন্ন করে এয়ারলাইন্স কোম্পানিতে মার্কেটিং এবং টিকেট সেকশনে ছাড়াও ট্রাভেল এজেন্সিগুলোতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। শুধুমাত্র ঢাকা শহরেই রয়েছে পাঁচশ’র বেশি ট্রাভেল এজেন্সি। আর এয়ারলাইন্সের শত শত মার্কেটিং অফিস রয়েছে। এ বিষয়ে পাস করে শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এসএসসি বা ও-লেভেল পাস করে কোর্সটি সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা জুনিয়র লেভেলে পার্ট টাইম ফুল টাইম চাকরি করতে পারে। অন্যদিকে অধ্যয়নরত অবস্থায় এয়ারলাইন্সে সহজেই পার্ট টাইম জব পেতে পারে। এ ছাড়া এই কোর্স করে অর্থ ও বুদ্ধি খাটিয়ে আসা যায় ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ব্যবসায় আর হওয়া যায় ট্রাভেল এজেন্সির মালিক। ক্যাটেক বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের প্রথম অনুমোদিত এভিয়েশন ইনস্টিটিউট যার কলেজ কোড ৫০৩৮৯। আরো জানতে যোগাযোগ- ধানমন্ডি ক্যাম্পাস, বাড়ি-৭৯ (দ্বিতীয় তলা), সাতমসজিদ রোড, ঢাকা। ফোন :৮৯৯১৩৭১, ০১৯২৬৩০২৯৪০।

বাংলাদেশে এই কোর্স পরিচালনা করছে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজি। এই কোর্স ছাড়াও কলেজটি বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড , বিটেক, এডেক্সেল এবং ইন্টারন্যাশনাল একরিডিটেশন অরগানাইজেশনের অধীনে ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, হায়ার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ৩ মাস মেয়াদি এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস অ্যাকাউন্টিং, এয়ারহোস্টেস কেবিন ক্রু প্রভৃতি কোর্সে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে রয়েছে লাইফ এয়ার ক্রাফটের মাধ্যমে প্র্যাকটিক্যালসহ উন্নত শিক্ষা। পাশাপাশি এদের রয়েছে একাধিক ক্যাম্পাস, নিয়মিত ক্লাস, সর্বশেষ সংস্করণের পাঠ্যবই, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, নিয়মিত প্র্যাকটিস টেস্ট, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণী কক্ষ ইত্যাদি সুবিধা। ক্যাটেকের টিচাররা সবাই এয়ারলাইন্স রিলেটেড তাই পড়াশোনার মান সন্তোষজনক। শিক্ষার্থীরা ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানতে পারে। ভর্তির সময় লাগবে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার ফটোকপি এবং প্রয়োজনীয় ফি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here