এক নজরে হজ্ব ও ওমরাহ্

হজের সংজ্ঞা:
হজ্জের ফরজ ৩টি
১। ইহরাম বাধা ২। উ'কুফে আ'রাফা (আরাফাতের ময়দানে অবস্থান) ৩। তাওয়াফুয্ যিয়ারাত
 
হজ্জের ওয়াজিব ৬টি
(১) 'সাফা ও মারওয়া' পাহাড় দ্বয়ের মাঝে ৭ বার সায়ী করা।
(২) অকুফে মুযদালিফায় (৯ই জিলহজ্জ) অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সুর্যদয় পর্যন্ত একমুহুর্তের জন্য
হলেও অবস্থান করা।
(৩) মিনায় তিন শয়তান (জামারাত) সমূহকে পাথর নিপে করা।
(৪) 'হজ্জে তামাত্তু' ও 'ক্বিরান' কারীগণ 'হজ্জ' সমাপনের জন্য দমে শোকর করা।

(৫) এহরাম খোলার পূর্বে মাথার চুল মুন্ডানো বা ছাটা।
(৬) মক্কার বাইরের লোকদের জন্য তাওয়াফে বিদা অর্থাৎ মক্কা থেকে বিদায়কালীন তাওয়াফ করা।
এছাড়া আর যে সমস্ত আমল রয়েছে সব সুন্নাত অথবা মুস্তাহাব।

 
ওমরাহর ফরজ, ওয়াজিব
দুইটি ফরজ: (১) ইহরাম পরিধান করা (২) তাওয়াফ
দুইটি ওয়াজিব: (১) সাফা ও মারওয়া মধ্যবর্তী (সবুজ বাতি) স্থানে সাতবার সায়ী করা (২) মাথার চুল
মুন্ডানো বা ছাটা।
 
তালবিয়া
''লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক, লাব্বাঈক, লা-শারীকা-লাকা লাব্বাঈক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্ নি'মাতা লাকা ওয়াল-মুল্ক, লা শারীকালাক।"
অর্থ: আমি হাজির হে আল্লাহ! আমি উপস্থিত! আপনার ডাকে সাড়া দিতে আমি হাজির। আপনার কোন অংশীদার নেই। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সম্পদরাজি আপনার এবং একচ্ছত্র আধিপত্য আপনার।
আপনার কোন অংশীদার নেই।
 
ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ
(১) সেলাইযুক্ত যে কোন কাপড় বা জুতা ব্যবহার, এেেত্র স্পঞ্জ সেন্ডেলের ব্যবহার করা।
(২) মস্তক ও মুখমন্ডল (ইহরামের কাপড়সহ যে কোন কাপড় দ্বারা) ঢাকা,
(৩) পায়ের পিঠ ঢেকে যায় এমন জুতা পরা।
(৪) চুলকাটা বা ছিড়ে ফেলা,
(৫) নখকাটা,
(৬) ঘ্রানযুক্ত তৈল বা আতর লাগানো।
(৭) স্ত্রীর সঙ্গে সংগম করা।
(৮) যৌন উত্তেজনামূলক কোন আচরণ বা কোন কথা বলা।
(৯) শিকার করা।
(১০) ঝগড়া বিবাদ বা যুদ্ধ করা।
(১১) চুল দাড়িতে চিরুনী বা আঙ্গুলী চালনা করা, যাতে ছিড়ার আশংকা থাকে।
(১২) শরীরে সাবান লাগানো।
(১৩) উকুন, ছারপোকা, মশা ও মাছিসহ কোন জীবজন্তু হত্যা করা বা মারা।
(১৪) কোন গুনাহের কাজ করা, ইত্যাদি।

হজ্জের প্রকার ও নিয়তসমূহ

প্রথম প্রকার হজ্জে ইফরাদ
বর্ণনা: ওমরাহ্ ব্যতিত শুধু হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা এবং হজ্জের সাথে ওমরাহকে না মিলানো। (বদলী হজ্জের জন্যও এই হজ্জ)।
নিয়্যাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল হাজ্জা ফায়াসছির হুলিওয়াতা কাব্বালহুমিন্নি। (বাংলা নিয়ত- আল্লাহ আমি ইফরাদ হজ্জের উদ্দেশ্যে আপনার সন্তুষ্টির জন্য ইহরাম বাধলাম। তা সহজ করে দিন ও কবুল করে নিন)।
 
দ্বিতীয় প্রকার হজ্জে ক্বিরান
বর্ণনা: একত্রে একই স্থান থেকে হজ্জ ও ওমরার নিয়্যাত করে হজ্জের সাথে ওমরাহকে মিলানো এবং একই ইহ্রামে উভয়টি আদায় করা।
নিয়্যাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উ'মরাতা ফায়াচ্ছির লী-ওয়াতাক্াব্বাল মিন্নী। বাংলা নিয়ত- হে আল্লাহ আমি আপনার উদ্দেশ্যে হজ্জে ক্বিরানের জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দিন ও কবুল করে নিন।
 
তৃতীয় প্রকার হজ্জে তামাত্তু
বর্ণনা: একই সফরে পৃথক পৃথক ভাবে 'ইহরাম' পরিধান করে 'হজ্জ ও ওমরাহ' আদায় করা। প্রথম ইহ্রামে ওমরাহর নিয়্যাত করে তা পালন শেষে চুল কেটে 'ইহরাম' খুলে হালাল হয়ে দ্বিতীয় বার নতুন করে
হজ্জের নিয়্যাতে ৮ই জিলহজ্জ 'মক্ক শরীফ' থেকে হজ্জের জন্য ইহরাম বাধা। তামাত্তু করার ইচ্ছা থাকলে প্রথমে ওমরার নিয়্যাত করে এহরাম বাঁধুন।
 
শুধু ওমরাহর নিয়্যাত
আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উম'রাতা ফায়াচ্ছির লী-ওয়াতাক্াব্বাল মিন্নী। বাংলা নিয়ত- হে আল্লাহ আমি ওমরাহ্ পালনের জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দিন এবং কবুল করে নিন।
 
শুধু হজ্জের নিয়্যাত
আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদুল হাজ্জা ফায়াচ্ছিরহু-লী অ-তাকাব্বালহু মিন্নী। বাংলা নিয়ত- হে আল্লাহ আমি পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য ইহরাম বেধে নিয়ত করলাম তা সহজ করে দিন এবং কবুল করে নিন।
 
তাওয়াফের বিবরণ
হাজীদের সর্বপ্রথম কাজই হলো (তামাত্তু ও ক্বেরান কারীগণ) নিজের মালছামানগুছিয়ে রেখে পাকপবিত্র হয়ে মোটেই দেরী না করে 'হারাম শরীফে' হাজিরা দেওয়া এবং 'তাওয়াফ' করা। ওমরাহ এবং হজ্জের
তাওয়াফ ব্যাতিত নফল তাওয়াফ ও করা যায়। যেমন: রাসূল (দঃ), সাহাবা-আওলিয়া, আহে বাইত, মা-বাবা, পীর-উস্তাদ ও অন্যান্য মুরুব্বী বা সন্তানদের স্মরনে বা তাঁদের নামে তাওয়াফ করা।
 
তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ
(১) শরীর পাক-সাফ রাখা, ওজু করা। মহিলাদের হায়েজ নেফাছ অবস্থায় তাওয়াফ করা জায়েজ নাই।
(২) ছতর ঢাকা। অর্থাৎ যেটুকু ঢাকা প্রত্যেক পুরুষ-নারীর জন্য ফরজ।
(৩) 'হাতীমে কা'বার' বাইরে থেকে 'তাওয়াফ' করা।
(৪) পায়ে হেঁটে 'তাওয়াফ' করা। অম ব্যক্তি খাটিয়ার মাধ্যমে 'তাওয়াফ' করতে পারেন।
(৫) 'হাজ্রে আস্ওয়াদ' থেকে শুরু করে ডানদিক দিয়ে 'তাওয়াফ' শুরু করা।
(৬) এক নাগাড়ে বিরতিহীন ভাবে 'সাতবার চক্কর' দিয়ে 'তাওয়াফ' পূর্ণ করা।
(৭) 'সাত চক্করে' এক 'তাওয়াফ', এটা পূর্ণ হলেই 'তাওয়াফের' নামাজ পড়া।
 
তাওয়াফের সুন্নত কার্যাবলী
(১) 'তাওয়াফে'র শুরুতে 'হাজারে আসওয়াদ' এর দিকে মুখ করা।
(২) সম্ভব হলে 'হাজ্রে আস্ওয়াদ' চুম্বন করা। নতুবা হাত দ্বারা দূর থেকে ইশারা করা, এবং মুখে
'বিসমিল্লাহি আল্লাহু আক্বার ওয়ালিল্লাহিল হ্ামদ' বলা।
(৩) 'হা্জ্ের অস্ওয়াদ' বরাবর দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরিমা'র ন্যায় উভয় হাত সিনা পর্যন্ত উঠান।
(৪) যে 'তাওয়াফে'র পরে 'সাঈ' আছে তাতে 'এযতেবা' করা। অর্থাৎ ইহরামের চাদরের (উপরের
অংশের) দুই মাথা ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধের উপর ফেলে দেওয়া।
(৫) 'সাঈ' যুক্ত 'তাওয়াফে'র প্রথম তিন চক্করে 'রমল' করা। অর্থাৎ বীরের মত হেলে দুলে জোর ক্বদমে
(একের পর এক পা ফেলে) চলা।
(৬) বাকী চার চক্কর সাধারণ গতিতে (ধীরে ধীরে) সম্পন্ন করা।
(৭) প্রত্যেক চক্কর তাওয়াফ শেষ করে এবং শেষ চক্করেরও পরে 'হাজ্রে অস্ওয়াদ'কে চুম্বন করা।
সম্ভব না হলে দূর থেকে ইশারা করে বিসমিল্লাহে আল্লাহ আকবর ওয়ালিল্লাহিল হামদ্"দোয়াটি পাঠ
করা এবং ৩ নং নিয়মের ন্যায় দাড়িয়ে ইশারা করে 'তাওয়াফ' শেষ করা।
 
তাওয়াফের নিয়্যাত
আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদু তাওয়াফা বাইতিকাল হারাম ফায়াচ্ছিরহু-লী, ওয়া তাক্বাব্বাল-হু-মিন্নী, সাবাআ'তা আশ্ওয়াত্বিন লিল্লাহি তায়া'লা। বাংলায় নিয়ত- হে আল্লাহ আমি তাওয়াফ পালনের জন্য নিয়ত করলাম।
 
সায়ীর নিয়ম
'হজ্জ ও ওমরাহ' ছাড়া নফল 'তাওয়াফে'র কোন সায়ী নাই। কারো নামে ওমরাহ করতে হলেও সায়ী করতে হবে। সায়ী অর্থ দৌড়ানো। এটা 'ছাফা' পাহাড় থেকে প্রথমে শুরু করতে হবে। ছাফা থেকে মারওয়া।
মারওয়া থেকে ছাফায়। এভাবে সাতবার সায়ীর সময় প্রথম তিন চক্কর সবুজ বাতির মাঝের অংশটুকু দৌড়ে দৌড়ে হেলে দুলে যাওয়া সুন্নাত (পুরুষদের জন্য)। পরের চার চক্কর সাধারণ গতিতে সম্পন্ন করতে হবে।
 
সায়ীর সহজ দোয়া
সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা-হাওলা, ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যীম, রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়াআনতাল আ-আজ্জুল আকরাম।
 
সায়ীর কুরআনী দোয়া
'ইন্নাছ্ ছাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন্ শাআ'ইরিল্লাহ্ ফামান হাজ্জাল বাইতা আও-ই' তামারা ফালা জুনাহা আ'লাইহি আইয়াত্ত্বাওয়াফা বিহিমা ওমান তাত্বাওয়াআ খাইরান ফা-ইন্নাল্লাহা শাকিরুণ আ'লীম।" উপরোক্ত
দুই দোয়া সাতবার চক্করের সময় হাটতে চলতে পড়তে হবে। পরেরটি না পারলে উপরেরটিই যথেষ্ট হবে।

হজ্জ ও ওমরাহর করনীয়
একনজরে তিন প্রকার হজ্জের জরুরী কাজ, হুকুম ও তারিখ সমূহ।

১ম প্রকার হজ্জে ইফরাদের ১১টি জরুরী কাজ

 ১ম প্রকার হজ্জে ইফরাদের ১১টি জরুরী কাজ
   

২য় প্রকার হজ্জে কেরানের জরুরী কাজ
    ৩য় প্রকার হজ্জে তামাত্তুর ১৫টি জরুরী কাজ
৩টি ফরজ
 
 (১) ইহরাম (শুধু হজ্জের জন্য)।
 (২) ৯ই জিলহজ্জ উ'কুফে আ'রাফা (সূর্য হেলার পর থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত)।
 (৩) ১০ থেকে ১২ই জিলহজ্জ তাওয়াফে যিয়ারাত তবে ১০ই জ্বিলহজ্ব তারিখই উত্তম।
 (৪) অকুফে মুযদালেফায় ১০ই জিলহজ্জ সুবহে সাদেক সূর্য উদয় পর্যন্ত।
 (৫) ১০ই জিলহজ্জ বড় শয়তানকে (জামারাতে আক্কাবায়) ৭টি কঙ্কর মারা। সুর্য হেলার পূর্বে দুপুর ১২টার আগে সুন্নত।
 (৬) মাথা মুন্ডানো তবে দম দিতে হবে।
 (৭) সায়ী ৯ তারিখের পূর্বে বা পরে) করে দিবেন।
 (৮) ১১ তারিখে তিন শয়তানকে (প্রথম ছোট/মেঝ ও পড়ে বড়) ৭ক্ম৩=২১টি পাথর মারা।
 (৯) ১২ তারিখে অনুরূপ তিন শয়তানকে ৭ক্ম৩= ২১টি পাথর মারা। সর্বমোট তিন দিনে ৭+২১+২১=৪৯টি কঙ্কর মারা।
 (১০) 'বিদায়ী তাওয়াফে' (মক্কার বাইরের লোকদের জন্য) বিদায়ের পূর্বে। এটি ওয়াজিব।
 (১১) তাওয়াফে কুদুম করা। (মক্কায় গিয়ে সর্বপ্রথম)     ৩টি ফরজ
 
 (১) ইহরাম (হজ্জ ও ওমরাহর জন্য)
 (২) আরাফাতে অবস্থান।
 (৩) তাওয়াফুয যিয়ারাত।
 
 ১০টি ওয়াজিব
 (৪) ওমরাহর তাওয়াফ
 (৫) ওমরাহর সায়ী
 (৬) হজ্জের সায়ী
 (৭) অকুফে মুযদালিফায়
 (৮) ১০ই জিলহজ্ব তারিখে বড় শয়তানকে ৭টি পাথর মারা (দুপুর ১২টার পূর্বে) সুন্নত।
 (৯) দম দিতে হবে।
 (১০) মাথা মুন্ডানো।
 (১১) ১১ই জিলহজ্ব তারিখে তিন শয়তানকে পাথর মারা
 (১২) ১২ তারিখে তিন শয়তানকে পূর্বের ছকের নিয়মে পৃথক পৃথক ভাবে সূর্য হেলার পরে নিয়ম অনুযায়ী পাথর মারা।
 (১৩) বিদায়ী তাওয়াফ।

 
    ৪টি ফরজ
 
 (১) ওমরাহর ইহরাম (বাংলাদেশ)।
 (২) হজ্জের ইহরাম (৮ তারিখ মক্কায়)
 (৩) উ,কুফে আরাফা (৯ই জিলহজ্জ সূর্য হেলার পর থেকে সুর্যস্তের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত)।
 (৪) তাওয়াফে জিয়ারত (১০ তারিখ অথবা ১১, ১২ তারিখ)
 
 ১১টি ওয়াজিব
 (৫) তাওয়াফে ওমরাহ (মক্কায় গিয়েই)
 (৬) ওমরাহর সায়ী (ওমরাহ তাওয়াফের পরই)
 (৭) মাথা মুন্ডানো (ওমরাহর পর)।
 (৮) হজ্জের সায়ী
 (৯) বড় শয়তানকে ৭টি পাথর মারা ( ১০ই জিলহজ্ব তারিখ সুর্য হেলার বা ১২টা পূর্বে) সুন্নত।
 (১০) কুরবানী করা (পাথর মেরে ১০ তারিখ)।
 (১১) মাথা মুন্ডানো দম দিতে হবে।
 (১২) ১১ তারিখ তিন শয়তানকে ৭+৭+৭=২১টি পাথর মারা।
 (১৩) ১২ তারিখে তিন শয়তানকে ৭+৭+৭=২১টি পাথর মারা (সর্বমোট তিন দিনে ৭+২১+২১=৪৯টি পাথর মারতে হবে)।
 (১৪) বিদায়ী তাওয়াফ।


একনজরে হজ্জের ৫টি দিন ও তার কাজ বা আ'মল সমূহ
৮ই জিলহজ্জ থেকে ১৩ই জিলহজ্জ হাজীদের কোথায় কি করণীয় তার বর্ণনা নিম্নরূপ:
(বিঃ দ্রঃ শুধু হজ্জে ইফরাদের জন্য কুরবানী মুস্তাহাব। শুকুর করা এবং হজ্জে তামাত্তুতে তাওয়াফে কুদুম সুন্নাত নয়) এ ছাড়া তিন প্রকারের হজ্জের আমল ৫ দিনে একই।
 
১ম দিন ৮ই জিলহজ্জ
ইহরাম অবস্থায় (ফরয) মক্কা থেকে হজ্জের নিয়্যাতে মিনায় রওয়ানা হোন।
 
এ দিনের কাজ দু'টি
(১) ইহরাম (ফরজ) (২) ৫ ওয়াক্ত নামাজ মিনায় আদায় করা (সুন্নাত)।
যোহর, আছর, মাগরিব, এশা ও ৯ তারিখ ফজর সর্বমোট ৫ ওয়াক্ত

২য় দিন ৯ই জিলহজ্জ
১। আরাফাতে অবস্থান (ফরজ)। ২। অকুফে মুযদালিফায় (ওয়াজিব)
 
আরাফাতে অবস্থান
-  ফজরের নামাজ মিনায় পড়ে আরাফাতের ময়দানের দিকে রওয়ানা হোন।
-  আরাফাতে সূর্য হেলার পর অর্থাৎ ১২টার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করা হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ।
-  ওয়াক্ত মত তাবুতে (মসজিদে নামেরায় না গেলে) বা আরাফার ময়দানে যে কোন স্থানে জোহরের সময় জোহর নামাজ আদায় করুন।
-  আসরের নামাজ আসরের সময় আদায় করুন, নির্দিষ্ট সময় বা আগে পরে, পৃথক পৃথক ভাবে।
-  উল্লেখ্য: 'মসজিদে নামেরায়' জোহর ও আসরের জামাত এক আযান দুই ইকামাতে একত্রে আদায় করলে একত্রে দুই ওয়াক্ত আদায় করতে হয়, ওটার নাম 'জমে তাক্বদীম'। কিন্তু তাবুতে বা অন্য কোন স্থানে
একত্রে নয়। ভিন্ন সময় ভিন্ন ভাবে ওয়াক্ত মত আদায় করতে হবে।)
-  সূর্যাস্তের পর সাথে সাথে মাগরিব না পড়ে মুযদালিফায় রওয়ানা হোন।
-  মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ এক আযান দুই এক্বামাতে একত্রে আদায় করুন। এটা ওয়াজিব এটার নাম 'জামে তাখীর জামাতে পড়া উত্তম।
মুযদালিফায় অবস্থান (ওয়াজিব)
মুযদালিফায় থাকাকালীন পাহাড়ে অথবা তার পাদদেশে যে কোন ঘাস দুবলা থেকে খুঁজে খুঁজে পাথর মারার জন্য ৭২টি (চানাবুটের ন্যায় কঙ্কর) ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করে ইহরামের কাপড়ে বেঁধে নিন।
১০/১১/১২ তিন দিনে (৪৯টি পাথর) তিন শয়তানকে মারতে হবে।
-  ১ম দিন ৭টি
-  ২য় দিন ২১টি
-  ৩য় দিন ২১টি
(সর্বমোট তিন দিনে ৭+২১+২১=৪৯টি )। তবে মিসিং হতে পারে বলে বেশী (৭২) নেওয়া সুন্নাত।
 
৩য় দিন ১০ই জিলহজ্জ
এ দিনের মোট কাজ ৪টি (১) বড় শয়তানকে পাথর মারা (২) কুরবানী (৩) মাথা মুন্ডানো (৪) তাওয়াফে যিয়ারাত করা
-  মুযদালিফায় ফজরের নামাজ পড়ে সূর্য উদয়ের আগ পর্যন্ত অবস্থান করুন (ওয়াজিব)।
-  মিনায় পৌছে বড় শয়তানকে ৭টি পাথর সূর্য হেলার আগে (১২টার পূর্বেই) মারুন। (সুন্নাত)।
-  তারপর তামাত্তু ও ক্বিরান হজ্জকারীগণ কুরবানী করুন (ওয়াজিব)।
-  এরপর ইহরাম খুলে হালাল হয়ে স্বাভাবিক পোষাক পরিধান করুন। কিন্তু কোরবানী পূর্বে নয়। (তবে ইফরাদ হজ্জকারী কুরবানী না করলেও চলবে)।
-  চুল ছাড়া বা মুন্ডানোর পর মক্কায় গিয়ে (সম্ভব হলে উত্তম) আজই তাওয়াফে যিয়ারত করুন। আজ করা সর্বোত্তম। (এটা ফরজ)।
-  তাওয়াফ শেষে মিনায় এসে রাত্রি যাপন করুন সুন্নাত।
 
৪র্থ দিন ১১ই জিলহজ্জ
-  ১০ তারিখে কুরবানী, চুল ছাটা ও তাওয়াফে যিয়ারত না করে থাকলে আজ করুন।
-  সূর্য হেলার পর থেকে (১২টার পর) মিনায় তিন শয়তানকে সূর্যাস্তের পূর্বে (প্রথম ছোট, তারপর মেজ অতঃপর বড়) ৭+৭+৭=২১টি পাথর মারুন (ওয়াজিব)। মিনায় রাত্রি যাপন করুন (সুন্নাত)।
 
৫ম দিন ১২ই জিলহজ্জ
-  তাওয়াফে যিয়ারত ১০/১১ তারিখে না করে থাকলে আজ সূর্যাস্তের পূর্বে অবশ্যই করুন।
-  মিনায় সূর্য হেলার পর থেকে (সুন্নাত সময় হল) সূর্যাস্তের পূর্বে ৭+৭+৭=২১টি পাথর (ছোট, মেজ ও বড় ) শয়তানকে মেরে সূর্যাস্তের পূর্বে) মক্কায় রওয়ানার চেষ্টা করুন।
 
জরুরী কথা
(১) তবে ১১/১২ তারিখ সূর্য হেলার পূর্বে পাথর মারলে আদায় হবে না। পূণরায় মারতে হবে। নতুবা  দম দিতে হবে।
(২) যদি ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বে মীনা ত্যাগ করে মক্কায় রওয়ানা না হন তবে ১৩ তারিখ পূনরায় তিন  শয়তানকে ৭+৭+৭=২১টি
পাথর (ছোট, মেজ ও বড় ) মেরে (পূর্বের নিয়মে) তারপর মক্কায় আসতে হবে।
(৩) তাওয়াফে যিয়ারতের উত্তম সময় ১০ই জিলহজ্জ (তবে ৩ দিন, এর সব মোট সময়) শেষ সময়  ১২ই জিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
(৪) মক্কা থেকে মিনায় রওয়ানার পূর্বে যদি নফল তাওয়াফ করে হজ্জের নিয়্যাত সায়ী না করে থাকেন  (বা মিনায় আসেন) তাহলে হজ্জের পরে তাওয়াফে যিয়ারতের পর অবশ্যই হজ্জের সায়ী করুন।
(ওয়াজিব)।
 
যিয়ারাতে মদীনাহ
হজ্জের পূর্বে অথবা পরে (সুবিধামত) সময়ে হাজীদল তথা প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা (দঃ) এর পাগলপাড়া উম্মতগণ এক মূহুর্তে একদিন/তথা ৮ দিনের জন্য (সম্ভব হলে) নতুবা এক রাত হলেও মদীনা শরীফে
যান এবং রাসূলে পাক (দঃ) এর রওজা মোবারক যিয়ারত, রিয়াদুল জান্নাতে বসা (নামাজ আদায় করা) জান্নাতুল বাকী যিয়ারত করা এবং বিশেষতঃ ৮ দিনে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করাসহ বহু ঐতিহাসিক
স্থান তথা উহুদ পাহাড় ও বদর প্রান্তর দেখার সৌভাগ্য অর্জন করে থাকেন। এছাড়া মদীনা শরীফে আর কোন কাজ নেই। মূলতঃ মদীনা শরীফে মাসজিদে নববীতে নামাজ ও রাসূলের পাক (দঃ) এর রওজা শরীফ
যিয়ারতই হল প্রধান কাজ। যদি সম্ভব হয় বা সময় সূযোগ থাকে তাহলে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ (সুন্নাত) রয়েছে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ৮দিন=৪০ ওয়াক্ত থাকতেই হবে। এটা ফরজ বা ওয়াজিব নয়। আসলে
এটা সুন্নাত এবং হজ্জের অংশ নয়। মূলতঃ আশেকে রাসূল (দঃ) দের জন্য রাসূলে পাক (দঃ) এর রওজা মোবারক যিয়ারতের নিয়্যাতে যাওয়াই হল মূল।
 
বদলী হজ্জ
যে সকল মুসলিম নর-নারীর উপর হজ্জ ফরজ ছিল, তাঁদের মধ্যে যদি কেউ মৃত্যুবরণ করে অথবা জীবিত কিন্তু শারিরীক দুর্বলতা ও অসুস্থতা ও অমতার কারণে হজ্জ করতে অপারগ হয়, তাহলে অন্য কাউকে
দিয়ে বিশেষ করে বিজ্ঞ আলেম বা হজ্জে পারদর্শী ব্যক্তি দ্বারা তাঁর বদলী হজ্জ করাতে পারবে। অর্থাৎ যাঁর জন্য বদলী হজ্জ করা হবে তাঁরই নামে ইহরাম পরিধান ও নিয়্যাত করে অন্য একজন হজ্জ আদায়
করতে পারবে।



হজ্জ নয়িমাবলী
এক নজরে হজ্ব ও ওমরাহ্
সংকলন:ে মাওলানা মুহাম্মদ আমনিুল হক

হজ্জরে ফরজ ৩টি
১। ইহরাম বাধা ২। উ'কুফে আ'রাফা (আরাফাতরে ময়দানে অবস্থান) ৩। তাওয়াফুয্ যয়িারাত
 
হজ্জরে ওয়াজবি ৬টি
(১) 'সাফা ও মারওয়া' পাহাড় দ্বয়রে মাঝে ৭ বার সায়ী করা।
(২) অকুফে মুযদালফিায় (৯ই জলিহজ্জ) র্অথাৎ সুবহে সাদকি থকেে র্সুযদয় র্পযন্ত একমুর্হুতরে জন্য
হলওে অবস্থান করা।
(৩) মনিায় তনি শয়তান (জামারাত) সমূহকে পাথর নপিে করা।
(৪) 'হজ্জে তামাত্তু' ও 'ক্িবরান' কারীগণ 'হজ্জ' সমাপনরে জন্য দমে শোকর করা।
(৫) এহরাম খোলার র্পূবে মাথার চুল মুন্ডানো বা ছাটা।
(৬) মক্কার বাইররে লোকদরে জন্য তাওয়াফে বদিা র্অথাৎ মক্কা থকেে বদিায়কালীন তাওয়াফ করা।
এছাড়া আর যে সমস্ত আমল রয়ছেে সব সুন্নাত অথবা মুস্তাহাব।
 
ওমরাহর ফরজ, ওয়াজবি
দুইটি ফরজ: (১) ইহরাম পরধিান করা (২) তাওয়াফ
দুইটি ওয়াজবি: (১) সাফা ও মারওয়া মধ্যর্বতী (সবুজ বাত)ি স্থানে সাতবার সায়ী করা (২) মাথার চুল
মুন্ডানো বা ছাটা।
 
তালবয়িা
''লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক, লাব্বাঈক, লা-শারীকা-লাকা লাব্বাঈক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্ ন'িমাতা লাকা ওয়াল-মুল্ক, লা শারীকালাক।"
র্অথ: আমি হাজরি হে আল্লাহ! আমি উপস্থতি! আপনার ডাকে সাড়া দতিে আমি হাজরি। আপনার কোন অংশীদার নইে। নঃিসন্দহেে সমস্ত প্রশংসা ও সম্পদরাজি আপনার এবং একচ্ছত্র আধপিত্য আপনার।
আপনার কোন অংশীদার নইে।
 
ইহরাম অবস্থায় নষিদ্ধি কাজ
(১) সলোইযুক্ত যে কোন কাপড় বা জুতা ব্যবহার, এক্ষত্রেে স্পঞ্জ সন্ডেলেরে ব্যবহার করা।
(২) মস্তক ও মুখমন্ডল (ইহরামরে কাপড়সহ যে কোন কাপড় দ্বারা) ঢাকা,
(৩) পায়রে পঠি ঢকেে যায় এমন জুতা পরা।
(৪) চুলকাটা বা ছড়িে ফলো,
(৫) নখকাটা,
(৬) ঘ্রানযুক্ত তলৈ বা আতর লাগানো।
(৭) স্ত্রীর সঙ্গে সংগম করা।
(৮) যৗেন উত্তজেনামূলক কোন আচরণ বা কোন কথা বলা।
(৯) শকিার করা।
(১০) ঝগড়া ববিাদ বা যুদ্ধ করা।
(১১) চুল দাড়তিে চরিুনী বা আঙ্গুলী চালনা করা, যাতে ছড়িার আশংকা থাক।ে
(১২) শরীরে সাবান লাগানো।
(১৩) উকুন, ছারপোকা, মশা ও মাছসিহ কোন জীবজন্তু হত্যা করা বা মারা।
(১৪) কোন গুনাহরে কাজ করা, ইত্যাদ।ি
হজ্জরে প্রকার ও নয়িতসমূহ

প্রথম প্রকার হজ্জে ইফরাদ
র্বণনা: ওমরাহ্ ব্যততি শুধু হজ্জরে জন্য ইহরাম বাঁধা এবং হজ্জরে সাথে ওমরাহকে না মলিানো। (বদলী হজ্জরে জন্যও এই হজ্জ)।
নয়্যিাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল হাজ্জা ফায়াসছরি হুলওিয়াতা কাব্বালহুমনি্িন। (বাংলা নয়িত- আল্লাহ আমি ইফরাদ হজ্জরে উদ্দশ্যেে আপনার সন্তুষ্টরি জন্য ইহরাম বাধলাম। তা সহজ করে দনি ও কবুল করে ননি)।
 
দ্বতিীয় প্রকার হজ্জে ক্িবরান
র্বণনা: একত্রে একই স্থান থকেে হজ্জ ও ওমরার নয়্যিাত করে হজ্জরে সাথে ওমরাহকে মলিানো এবং একই ইহ্রামে উভয়টি আদায় করা।
নয়্যিাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উ'মরাতা ফায়াচ্ছরি লী-ওয়াতাক্াব্বাল মন্নিী। বাংলা নয়িত- হে আল্লাহ আমি আপনার উদ্দশ্যেে হজ্জে ক্িবরানরে জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দনি ও কবুল করে ননি।
 
তৃতীয় প্রকার হজ্জে তামাত্তু
র্বণনা: একই সফরে পৃথক পৃথক ভাবে 'ইহরাম' পরধিান করে 'হজ্জ ও ওমরাহ' আদায় করা। প্রথম ইহ্রামে ওমরাহর নয়্যিাত করে তা পালন শষেে চুল কটেে 'ইহরাম' খুলে হালাল হয়ে দ্বতিীয় বার নতুন করে
হজ্জরে নয়্যিাতে ৮ই জলিহজ্জ 'মক্ক শরীফ' থকেে হজ্জরে জন্য ইহরাম বাধা। তামাত্তু করার ইচ্ছা থাকলে প্রথমে ওমরার নয়্যিাত করে এহরাম বাঁধুন।
 
শুধু ওমরাহর নয়্যিাত
আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উম'রাতা ফায়াচ্ছরি লী-ওয়াতাক্াব্বাল মন্নিী। বাংলা নয়িত- হে আল্লাহ আমি ওমরাহ্ পালনরে জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দনি এবং কবুল করে ননি।
 
শুধু হজ্জরে নয়্যিাত
আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদুল হাজ্জা ফায়াচ্ছরিহু-লী অ-তাকাব্বালহু মন্নিী। বাংলা নয়িত- হে আল্লাহ আমি পবত্রি হজ্জ পালনরে জন্য ইহরাম বধেে নয়িত করলাম তা সহজ করে দনি এবং কবুল করে ননি।
 
তাওয়াফরে ববিরণ
হাজীদরে র্সবপ্রথম কাজই হলো (তামাত্তু ও ক্বরোন কারীগণ) নজিরে মালছামানগুছয়িে রখেে পাকপবত্রি হয়ে মোটইে দরেী না করে 'হারাম শরীফ'ে হাজরিা দওেয়া এবং 'তাওয়াফ' করা। ওমরাহ এবং হজ্জরে
তাওয়াফ ব্যাততি নফল তাওয়াফ ও করা যায়। যমেন: রাসূল (দঃ), সাহাবা-আওলয়িা, আহ্লে বাইত, মা-বাবা, পীর-উস্তাদ ও অন্যান্য মুরুব্বী বা সন্তানদরে স্মরনে বা তাঁদরে নামে তাওয়াফ করা।
 
তাওয়াফরে ওয়াজবি সমূহ
(১) শরীর পাক-সাফ রাখা, ওজু করা। মহলিাদরে হায়জে নফোছ অবস্থায় তাওয়াফ করা জায়জে নাই।
(২) ছতর ঢাকা। র্অথাৎ যটেুকু ঢাকা প্রত্যকে পুরুষ-নারীর জন্য ফরজ।
(৩) 'হাতীমে কা'বার' বাইরে থকেে 'তাওয়াফ' করা।
(৪) পায়ে হঁেটে 'তাওয়াফ' করা। অম ব্যক্তি খাটয়িার মাধ্যমে 'তাওয়াফ' করতে পারনে।
(৫) 'হাজ্রে আস্ওয়াদ' থকেে শুরু করে ডানদকি দয়িে 'তাওয়াফ' শুরু করা।
(৬) এক নাগাড়ে বরিতহিীন ভাবে 'সাতবার চক্কর' দয়িে 'তাওয়াফ' র্পূণ করা।
(৭) 'সাত চক্কর'ে এক 'তাওয়াফ', এটা র্পূণ হলইে 'তাওয়াফরে' নামাজ পড়া।
 
তাওয়াফরে সুন্নত র্কাযাবলী
(১) 'তাওয়াফ'ের শুরুতে 'হাজারে আসওয়াদ' এর দকিে মুখ করা।
(২) সম্ভব হলে 'হাজ্রে আস্ওয়াদ' চুম্বন করা। নতুবা হাত দ্বারা দূর থকেে ইশারা করা, এবং মুখে
'বসিমল্লিাহি আল্লাহু আক্বার ওয়ালল্লিাহলি হ্ামদ' বলা।
(৩) 'হ্জ্রাে অস্ওয়াদ' বরাবর দাঁড়য়িে তাকবীরে তাহরমিা'র ন্যায় উভয় হাত সনিা র্পযন্ত উঠান।
(৪) যে 'তাওয়াফ'ের পরে 'সাঈ' আছে তাতে 'এযতবো' করা। র্অথাৎ ইহরামরে চাদররে (উপররে
অংশরে) দুই মাথা ডান বগলরে নচি দয়িে বাম কাঁধরে উপর ফলেে দওেয়া।
(৫) 'সাঈ' যুক্ত 'তাওয়াফ'ের প্রথম তনি চক্করে 'রমল' করা। অর্থাৎ বীররে মত হলেে দুলে জোর ক্বদমে
(একরে পর এক পা ফলে)ে চলা।
(৬) বাকী চার চক্কর সাধারণ গততিে (ধীরে ধীর)ে সম্পন্ন করা।
(৭) প্রত্যকে চক্কর তাওয়াফ শষে করে এবং শষে চক্কররেও পরে 'হাজ্রে অস্ওয়াদ'কে চুম্বন করা।
সম্ভব না হলে দূর থকেে ইশারা করে বসিমল্লিাহে আল্লাহ আকবর ওয়ালল্লিাহলি হামদ্"দোয়াটি পাঠ
করা এবং ৩ নং নয়িমরে ন্যায় দাড়য়িে ইশারা করে 'তাওয়াফ' শষে করা।
 
তাওয়াফরে নয়্যিাত
আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদু তাওয়াফা বাইতকিাল হারাম ফায়াচ্ছরিহু-লী, ওয়া তাক্বাব্বাল-হু-মন্নিী, সাবাআ'তা আশ্ওয়াত্িবন লল্লিাহি তায়া'লা। বাংলায় নয়িত- হে আল্লাহ আমি তাওয়াফ পালনরে জন্য নয়িত করলাম।
 
সায়ীর নয়িম
'হজ্জ ও ওমরাহ' ছাড়া নফল 'তাওয়াফ'ের কোন সায়ী নাই। কারো নামে ওমরাহ করতে হলওে সায়ী করতে হব।ে সায়ী র্অথ দৗেড়ানো। এটা 'ছাফা' পাহাড় থকেে প্রথমে শুরু করতে হব।ে ছাফা থকেে মারওয়া।
মারওয়া থকেে ছাফায়। এভাবে সাতবার সায়ীর সময় প্রথম তনি চক্কর সবুজ বাতরি মাঝরে অংশটুকু দৗেড়ে দৗেড়ে হলেে দুলে যাওয়া সুন্নাত (পুরুষদরে জন্য)। পররে চার চক্কর সাধারণ গততিে সম্পন্ন করতে হব।ে
 
সায়ীর সহজ দোয়া
সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লল্লিাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা-হাওলা, ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবল্লিাহলি আ'লয়্যিলি আ'যীম, রাব্িবগফরি ওয়ারহাম ওয়াআনতাল আ-আজ্জুল আকরাম।
 
সায়ীর কুরআনী দোয়া
'ইন্নাছ্ ছাফা ওয়াল মারওয়াতা মন্ িশাআ'ইরল্লিাহ্ ফামান হাজ্জাল বাইতা আও-ই' তামারা ফালা জুনাহা আ'লাইহি আইয়াত্ত্বাওয়াফা বহিমিা ওমান তাত্বাওয়াআ খাইরান ফা-ইন্নাল্লাহা শাকরিুণ আ'লীম।" উপরোক্ত
দুই দোয়া সাতবার চক্কররে সময় হাটতে চলতে পড়তে হব।ে পররেটি না পারলে উপররেটইি যথষ্টে হব।ে
হজ্জ ও ওমরাহর করনীয়
একনজরে তনি প্রকার হজ্জরে জরুরী কাজ, হুকুম ও তারখি সমূহ।

১ম প্রকার হজ্জে ইফরাদরে ১১টি জরুরী কাজ
 ১ম প্রকার হজ্জে ইফরাদরে ১১টি জরুরী কাজ    ২য় প্রকার হজ্জে করোনরে জরুরী কাজ    ৩য় প্রকার হজ্জে তামাত্তুর ১৫টি জরুরী কাজ
৩টি ফরজ
 
 (১) ইহরাম (শুধু হজ্জরে জন্য)।
 (২) ৯ই জলিহজ্জ উ'কুফে আ'রাফা (র্সূয হলোর পর থকেে র্সুযাস্ত র্পযন্ত)।
 (৩) ১০ থকেে ১২ই জলিহজ্জ তাওয়াফে যয়িারাত তবে ১০ই জ্িবলহজ্ব তারখিই উত্তম।
 (৪) অকুফে মুযদালফোয় ১০ই জলিহজ্জ সুবহে সাদকে র্সূয উদয় র্পযন্ত।
 (৫) ১০ই জলিহজ্জ বড় শয়তানকে (জামারাতে আক্কাবায়) ৭টি কঙ্কর মারা। র্সুয হলোর র্পূবে দুপুর ১২টার আগে সুন্নত।
 (৬) মাথা মুন্ডানো তবে দম দতিে হব।ে
 (৭) সায়ী ৯ তারখিরে র্পূবে বা পর)ে করে দবিনে।
 (৮) ১১ তারখিে তনি শয়তানকে (প্রথম ছোট/মঝে ও পড়ে বড়) ৭ক্ম৩=২১টি পাথর মারা।
 (৯) ১২ তারখিে অনুরূপ তনি শয়তানকে ৭ক্ম৩= ২১টি পাথর মারা। র্সবমোট তনি দনিে ৭+২১+২১=৪৯টি কঙ্কর মারা।
 (১০) 'বদিায়ী তাওয়াফ'ে (মক্কার বাইররে লোকদরে জন্য) বদিায়রে র্পূব।ে এটি ওয়াজবি।
 (১১) তাওয়াফে কুদুম করা। (মক্কায় গয়িে র্সবপ্রথম)     ৩টি ফরজ
 
 (১) ইহরাম (হজ্জ ও ওমরাহর জন্য)
 (২) আরাফাতে অবস্থান।
 (৩) তাওয়াফুয যয়িারাত।
 
 ১০টি ওয়াজবি
 (৪) ওমরাহর তাওয়াফ
 (৫) ওমরাহর সায়ী
 (৬) হজ্জরে সায়ী
 (৭) অকুফে মুযদালফিায়
 (৮) ১০ই জলিহজ্ব তারখিে বড় শয়তানকে ৭টি পাথর মারা (দুপুর ১২টার র্পূব)ে সুন্নত।
 (৯) দম দতিে হব।ে
 (১০) মাথা মুন্ডানো।
 (১১) ১১ই জলিহজ্ব তারখিে তনি শয়তানকে পাথর মারা
 (১২) ১২ তারখিে তনি শয়তানকে র্পূবরে ছকরে নয়িমে পৃথক পৃথক ভাবে র্সূয হলোর পরে নয়িম অনুযায়ী পাথর মারা।
 (১৩) বদিায়ী তাওয়াফ।
     ৪টি ফরজ
 
 (১) ওমরাহর ইহরাম (বাংলাদশে)।
 (২) হজ্জরে ইহরাম (৮ তারখি মক্কায়)
 (৩) উ,কুফে আরাফা (৯ই জলিহজ্জ র্সূয হলোর পর থকেে র্সুযস্তরে র্পূব মুর্হুত র্পযন্ত)।
 (৪) তাওয়াফে জয়িারত (১০ তারখি অথবা ১১, ১২ তারখি)
 
 ১১টি ওয়াজবি
 (৫) তাওয়াফে ওমরাহ (মক্কায় গয়িইে)
 (৬) ওমরাহর সায়ী (ওমরাহ তাওয়াফরে পরই)
 (৭) মাথা মুন্ডানো (ওমরাহর পর)।
 (৮) হজ্জরে সায়ী
 (৯) বড় শয়তানকে ৭টি পাথর মারা ( ১০ই জলিহজ্ব তারখি র্সুয হলোর বা ১২টা র্পূব)ে সুন্নত।
 (১০) কুরবানী করা (পাথর মরেে ১০ তারখি)।
 (১১) মাথা মুন্ডানো দম দতিে হব।ে
 (১২) ১১ তারখি তনি শয়তানকে ৭+৭+৭=২১টি পাথর মারা।
 (১৩) ১২ তারখিে তনি শয়তানকে ৭+৭+৭=২১টি পাথর মারা (র্সবমোট তনি দনিে ৭+২১+২১=৪৯টি পাথর মারতে হব)ে।
 (১৪) বদিায়ী তাওয়াফ।

একনজরে হজ্জরে ৫টি দনি ও তার কাজ বা আ'মল সমূহ
৮ই জলিহজ্জ থকেে ১৩ই জলিহজ্জ হাজীদরে কোথায় কি করণীয় তার র্বণনা নম্নিরূপ:
(বঃি দ্রঃ শুধু হজ্জে ইফরাদরে জন্য কুরবানী মুস্তাহাব। শুকুর করা এবং হজ্জে তামাত্তুতে তাওয়াফে কুদুম সুন্নাত নয়) এ ছাড়া তনি প্রকাররে হজ্জরে আমল ৫ দনিে একই।
 
১ম দনি ৮ই জলিহজ্জ
ইহরাম অবস্থায় (ফরয) মক্কা থকেে হজ্জরে নয়্যিাতে মনিায় রওয়ানা হোন।
 
এ দনিরে কাজ দু'টি
(১) ইহরাম (ফরজ) (২) ৫ ওয়াক্ত নামাজ মনিায় আদায় করা (সুন্নাত)।
যোহর, আছর, মাগরবি, এশা ও ৯ তারখি ফজর র্সবমোট ৫ ওয়াক্ত

২য় দনি ৯ই জলিহজ্জ
১। আরাফাতে অবস্থান (ফরজ)। ২। অকুফে মুযদালফিায় (ওয়াজবি)
 
আরাফাতে অবস্থান
-  ফজররে নামাজ মনিায় পড়ে আরাফাতরে ময়দানরে দকিে রওয়ানা হোন।
-  আরাফাতে র্সূয হলোর পর র্অথাৎ ১২টার পর থকেে র্সূযাস্ত র্পযন্ত অবস্থান করা হজ্জরে গুরুত্বর্পূণ ফরজ।
-  ওয়াক্ত মত তাবুতে (মসজদিে নামরোয় না গলে)ে বা আরাফার ময়দানে যে কোন স্থানে জোহররে সময় জোহর নামাজ আদায় করুন।
-  আসররে নামাজ আসররে সময় আদায় করুন, নর্দিষ্টি সময় বা আগে পর,ে পৃথক পৃথক ভাব।ে
-  উল্লখ্যে: 'মসজদিে নামরোয়' জোহর ও আসররে জামাত এক আযান দুই ইকামাতে একত্রে আদায় করলে একত্রে দুই ওয়াক্ত আদায় করতে হয়, ওটার নাম 'জমে তাক্বদীম'। কন্তিু তাবুতে বা অন্য কোন স্থানে
একত্রে নয়। ভন্নি সময় ভন্নি ভাবে ওয়াক্ত মত আদায় করতে হব।ে)
-  র্সূযাস্তরে পর সাথে সাথে মাগরবি না পড়ে মুযদালফিায় রওয়ানা হোন।
-  মুযদালফিায় মাগরবি ও এশার নামাজ এক আযান দুই এক্বামাতে একত্রে আদায় করুন। এটা ওয়াজবি এটার নাম 'জামে তাখীর জামাতে পড়া উত্তম।
মুযদালফিায় অবস্থান (ওয়াজবি)
মুযদালফিায় থাকাকালীন পাহাড়ে অথবা তার পাদদশেে যে কোন ঘাস দুবলা থকেে খুঁজে খুঁজে পাথর মারার জন্য ৭২টি (চানাবুটরে ন্যায় কঙ্কর) ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করে ইহরামরে কাপড়ে বঁেধে ননি।
১০/১১/১২ তনি দনিে (৪৯টি পাথর) তনি শয়তানকে মারতে হব।ে
-  ১ম দনি ৭টি
-  ২য় দনি ২১টি
-  ৩য় দনি ২১টি
(র্সবমোট তনি দনিে ৭+২১+২১=৪৯টি )। তবে মসিংি হতে পারে বলে বশেী (৭২) নওেয়া সুন্নাত।
 
৩য় দনি ১০ই জলিহজ্জ
এ দনিরে মোট কাজ ৪টি (১) বড় শয়তানকে পাথর মারা (২) কুরবানী (৩) মাথা মুন্ডানো (৪) তাওয়াফে যয়িারাত করা
-  মুযদালফিায় ফজররে নামাজ পড়ে র্সূয উদয়রে আগ র্পযন্ত অবস্থান করুন (ওয়াজবি)।
-  মনিায় পৗেছে বড় শয়তানকে ৭টি পাথর র্সূয হলোর আগে (১২টার র্পূবইে) মারুন। (সুন্নাত)।
-  তারপর তামাত্তু ও ক্িবরান হজ্জকারীগণ কুরবানী করুন (ওয়াজবি)।
-  এরপর ইহরাম খুলে হালাল হয়ে স্বাভাবকি পোষাক পরধিান করুন। কন্তিু কোরবানী র্পূবে নয়। (তবে ইফরাদ হজ্জকারী কুরবানী না করলওে চলব)ে।
-  চুল ছাড়া বা মুন্ডানোর পর মক্কায় গয়িে (সম্ভব হলে উত্তম) আজই তাওয়াফে যয়িারত করুন। আজ করা র্সবোত্তম। (এটা ফরজ)।
-  তাওয়াফ শষেে মনিায় এসে রাত্রি যাপন করুন সুন্নাত।
 
র্৪থ দনি ১১ই জলিহজ্জ
-  ১০ তারখিে কুরবানী, চুল ছাটা ও তাওয়াফে যয়িারত না করে থাকলে আজ করুন।
-  র্সূয হলোর পর থকেে (১২টার পর) মনিায় তনি শয়তানকে র্সূযাস্তরে র্পূবে (প্রথম ছোট, তারপর মজে অতঃপর বড়) ৭+৭+৭=২১টি পাথর মারুন (ওয়াজবি)। মনিায় রাত্রি যাপন করুন (সুন্নাত)।
 
৫ম দনি ১২ই জলিহজ্জ
-  তাওয়াফে যয়িারত ১০/১১ তারখিে না করে থাকলে আজ র্সূযাস্তরে র্পূবে অবশ্যই করুন।
-  মনিায় র্সূয হলোর পর থকেে (সুন্নাত সময় হল) র্সূযাস্তরে র্পূবে ৭+৭+৭=২১টি পাথর (ছোট, মজে ও বড় ) শয়তানকে মরেে র্সূযাস্তরে র্পূব)ে মক্কায় রওয়ানার চষ্টো করুন।
 
জরুরী কথা
(১) তবে ১১/১২ তারখি র্সূয হলোর র্পূবে পাথর মারলে আদায় হবে না। পূণরায় মারতে হব।ে নতুবা  দম দতিে হব।ে
(২) যদি ১২ তারখি র্সূযাস্তরে র্পূবে মীনা ত্যাগ করে মক্কায় রওয়ানা না হন তবে ১৩ তারখি পূনরায় তনি  শয়তানকে ৭+৭+৭=২১টি
পাথর (ছোট, মজে ও বড় ) মরেে (র্পূবরে নয়িম)ে তারপর মক্কায় আসতে হব।ে
(৩) তাওয়াফে যয়িারতরে উত্তম সময় ১০ই জলিহজ্জ (তবে ৩ দনি, এর সব মোট সময়) শষে সময়  ১২ই জলিহজ্জ র্সূযাস্ত র্পযন্ত।
(৪) মক্কা থকেে মনিায় রওয়ানার র্পূবে যদি নফল তাওয়াফ করে হজ্জরে নয়্যিাত সায়ী না করে থাকনে  (বা মনিায় আসনে) তাহলে হজ্জরে পরে তাওয়াফে যয়িারতরে পর অবশ্যই হজ্জরে সায়ী করুন।
(ওয়াজবি)।
 
যয়িারাতে মদীনাহ
হজ্জরে র্পূবে অথবা পরে (সুবধিামত) সময়ে হাজীদল তথা প্রয়ি নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা (দঃ) এর পাগলপাড়া উম্মতগণ এক মূর্হুতে একদনি/তথা ৮ দনিরে জন্য (সম্ভব হল)ে নতুবা এক রাত হলওে মদীনা শরীফে
যান এবং রাসূলে পাক (দঃ) এর রওজা মোবারক যয়িারত, রয়িাদুল জান্নাতে বসা (নামাজ আদায় করা) জান্নাতুল বাকী যয়িারত করা এবং বশিষেতঃ ৮ দনিে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করাসহ বহু ঐতহিাসকি
স্থান তথা উহুদ পাহাড় ও বদর প্রান্তর দখোর সৗেভাগ্য র্অজন করে থাকনে। এছাড়া মদীনা শরীফে আর কোন কাজ নইে। মূলতঃ মদীনা শরীফে মাসজদিে নববীতে নামাজ ও রাসূলরে পাক (দঃ) এর রওজা শরীফ
যয়িারতই হল প্রধান কাজ। যদি সম্ভব হয় বা সময় সূযোগ থাকে তাহলে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ (সুন্নাত) রয়ছে।ে কন্তিু তার র্অথ এই নয় য,ে ৮দনি=৪০ ওয়াক্ত থাকতইে হব।ে এটা ফরজ বা ওয়াজবি নয়। আসলে
এটা সুন্নাত এবং হজ্জরে অংশ নয়। মূলতঃ আশকেে রাসূল (দঃ) দরে জন্য রাসূলে পাক (দঃ) এর রওজা মোবারক যয়িারতরে নয়্যিাতে যাওয়াই হল মূল।
 
বদলী হজ্জ
যে সকল মুসলমি নর-নারীর উপর হজ্জ ফরজ ছলি, তাঁদরে মধ্যে যদি কউে মৃত্যুবরণ করে অথবা জীবতি কন্তিু শাররিীক র্দুবলতা ও অসুস্থতা ও অমতার কারণে হজ্জ করতে অপারগ হয়, তাহলে অন্য কাউকে
দয়িে বশিষে করে বজ্ঞি আলমে বা হজ্জে পারদর্শী ব্যক্তি দ্বারা তাঁর বদলী হজ্জ করাতে পারব।ে অর্থাৎ যাঁর জন্য বদলী হজ্জ করা হবে তাঁরই নামে ইহরাম পরধিান ও নয়্যিাত করে অন্য একজন হজ্জ আদায়
করতে পারব।ে